ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): চলমান বিক্সোভ ঠেকাতে ইরানে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার পর সেখানে এখন মোবাইল ফোন সেবাও বন্ধের পথে। এদিকে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতে রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন জায়গায় হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়েছে। তারা পুলিশের মোটরসাইকেল, রাষ্ট্রীয় টিভি সংশ্লিষ্ট ভবন, গভর্নর অফিস ও সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবিতে আগুন ধরিয়ে দেন।
টার্কিস সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) জানায়, পারস্য দেশটির অনেক জায়গায় মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক পাওয়া যাচ্ছে না।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানায়, ইন্টারনেট বন্ধ হওয়ার পরই মোবাইল সেবা ব্যহত হওয়া শুরু করে। তবে ইরান সরকার এ ব্যাপারে কোনো ঘোষণা দেয়নি।
১৯৭৯ সালে এক অভ্যুত্থানে ইরান থেকে পালান শাহ শাসক রেজা শাহ পেহলেভি। তারই ছেলের আহ্বানে বৃহস্পতিবার রাস্তায় নেমে আসে মানুষ।
এর আগে গত ২৮ ডিসেম্বর শুরু হয় ইরানের চলমান বিক্ষোভ। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে প্রথমে তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারের ব্যবসায়ীরা নতুন করে আন্দোলন শুরু করেন। এরপর এতে সব ধরনের মানুষ যুক্ত হয়, যা গত ১২দিন ধরে চলছে।
এর মধ্যে বৃহস্পতিবার রাতে বিক্ষোভের মাত্র বেড়ে যায়। রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন জায়গায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছেন। গত ১২ দিনের বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৮ জন মারা গেছে বলে জানায় একটি মানবাধিকার সংস্থা।
১৯৭৯ সালে ইসলামিক বিপ্লবের মাধ্যমে বর্তমান ইরানে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র গঠিত হয়। দেশটিতে শরিয়া আইনে পরিচালিত সরকারের কঠোরতা নিয়ে বিভিন্ন সময় বড় বিক্ষোভ হয়েছে।
ইতিমধ্যে কয়েকটি বড় যুদ্ধের ধকল গেছে দেশটির ওপর দিয়ে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ইরান সরকার হুমকির মুখে পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মূল্যস্ফীতি নিয়ে। দেশটিতে শুরু হলো বড় ধরনের বিক্ষোভ।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীরদের হত্যা করে তাহলে তারা দেশটিতে সরাসরি হস্তক্ষেপ করবে।