মোঃ মিজানুর রহমান, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি-পটুয়াখালী, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): পটুয়াখালীর দুমকিসহ দক্ষিণাঞ্চলে ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল বাতাসে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। রবিবার সকাল ৯টায় পটুয়াখালী জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা নেমে আসে ৫০ মিটারের নিচে। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৭৬ শতাংশ।
ঘন কুয়াশার কারণে বেলা বাড়লেও সূর্যের দেখা মেলেনি। সড়কে যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করছে। কুয়াশা ও তীব্র ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষ, দিনমজুর, শ্রমিক ও কৃষকরা। অনেকেই শীতের কারণে কাজে বের হতে পারছেন না। ফলে আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষের।
দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যাও বেড়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা সর্দি-কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্টে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। জরুরি বিভাগে প্রতিদিনই বাড়ছে রোগীর চাপ।
দুমকি থানাব্রিজ এলাকার দিনমজুর আ. রহিম বলেন, কুয়াশার কারণে সূর্য দেখা যায় না। শীত খুব বেশি পড়ছে। কাজেও যেতে পারছি না। এখন পরিবার চালাব কীভাবে বুঝতে পারছি না।
এদিকে জেলা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন কুয়াশা ও শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে ভোর ও সকালবেলা কুয়াশা ঘন থাকার আশঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থায় প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়া, গরম কাপড় ব্যবহার এবং শিশু ও বৃদ্ধদের বাড়তি যত্ন নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সংশ্লিষ্টরা