জাহাঙ্গীর আলম-ভ্রাম্যামান প্রতিনিধি, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির অবৈধ চুল্লির ভয়াবহ দৌরাত্ম্যে মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে টাঙ্গাইলে মির্জাপুর উপজেলা। দিনের পর দিন বিষাক্ত ধোঁয়ায় দূষিত হচ্ছে বাতাস, উজাড় হচ্ছে বনাঞ্চল, আর শ্বাসকষ্টসহ নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে এলাকার মানুষ। এলাকাবাসী এই অবৈধ কয়লা চুন্নি বন্ধের দাবি জানান।
সরেজমিনে জানা গেছে,আজগানা ইউনিয়নে ঘাগড়াই গ্রামের আলমাছের ইট ভাটার পিছনে ইয়ার উদ্দিন সিকদারের ছেলে হাসেম সিকদার ও বিল্লাল মিলে অবৈধভাবে কয়লার দুইটি অবৈধ কয়লার চুন্নি চালাচ্ছেন।
এসব চুল্লিতে প্রতিদিন কয়েক মণ কয়লা উৎপাদন করা হচ্ছে, যার মূল কাঁচামাল হিসেবে নির্বিচারে কাটা হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ। চুল্লি থেকে নির্গত কালো ধোঁয়ায় আশপাশের এলাকা সবসময় ধোঁয়ার চাদরে ঢাকা থাকে। এতে করে শিশু, বৃদ্ধ ও নারীদের মধ্যে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, চোখের জ্বালা, ত্বকের রোগসহ বিভিন্ন জটিলতা বেড়ে চলেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনে দিনে এই এলাকায় বসবাস করা দায় হয়ে পড়ছে।
উপজেলা বনবিভাগ সুত্র জানায়, মির্জাপুর উপজেলায় প্রায় ১৫ হাজার ৮০০শ হেক্টর সরকারী বন ভুমি রয়েছে। বিশাল এই বন ভুমিতে গজারি, গর্জন, সেগুন, আকাশমনি, পিকরাশিসহ বিভিন্ন প্রজাতির মুল্যবান গাছ রয়েছে। এছাড়া সমাজিক বনায়ন কর্মসুচীর আওতায় বনাঞ্চল ও এর আশাপাশে প্রচুর বৃক্ষ রোপন করা হয়েছে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তারেক আজিজ গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, ‘আমি শিগগিরই যাব। অবৈধ চুল্লিগুলো বন্ধ করে দেব।’