হাসিবুর রহমান শিপন-খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধি, ২৬ নভেম্বর ২০২৫ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): আজ বুধবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহ শহরের একটি রেস্টুরেন্টে ঝিনাইদহ-২ নির্বাচনী এলাকার ১১০টি পূজামন্দির কমিটিসহ চারটি সনাতনী সংগঠন যৌথ এক সংবাদ সম্মেলনে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, বিএনপি থেকে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে মনোনয়ন না দিলে ঝিনাইদহ ও হরিণাকুণ্ডু এলাকার ৫৭ হাজার সনাতন ভোটার ভোটকেন্দ্রে যাবেন না। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের জেলা আহ্বায়ক চন্দন বসু মুক্ত।

 

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে ঝিনাইদহ জেলার সার্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ এবং সনাতন সম্প্রদায় ঝিনাইদহ-২ নির্বাচনী এলাকায় নির্ভয়ে ও নিরাপদে বসবাস করছে। বিগত দুই বছর আমাদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে এবং কোনো প্রকার আতঙ্ক ছাড়াই উদযাপিত হয়েছে।’

 

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে থেকে সনাতনীদের ধর্মীয়, সামাজিক, পারিবারিক, ব্যবসায়িকসহ সব কার্যক্রম নিরাপত্তার সাথে দেখভাল ও সার্বক্ষণিক পাশে থেকে ভ্যানগার্ডের দায়িত্ব পালন করছেন যে মানুষটি, তিনি হলেন ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সংগ্রামী সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ। তার আন্তরিক সহযোগিতা ও সহায়তা সনাতনী সমাজের লোকদের মাঝে একটা আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গা তৈরি হয়েছে।’

 

আগামী নির্বাচনে ঝিনাইদহ-২ আসনে এম এ মজিদকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে হুঁশিয়ারি করা হয়, অন্যথায় ঝিনাইদহ ও হরিণাকুণ্ডু এলাকার ৫৭ হাজার সনাতন ভোটার ভোটকেন্দ্রে যাবেন না।

 

ঝিনাইদহের সনাতন নেতারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ নির্যাতিত নেতাকর্মীদের আলোকবর্তিকা। তিনি নিজেও ফ্যাসিস্ট দ্বারা নির্যাতিত। তার বাসাবাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অগণিত মামলা ছিল। এত কিছুর পরেও তিনি নিজ দলের নেতাকর্মী ও সনাতনীদের আগলে রেখেছেন পরম মমতা দিয়ে।

 

তার এই অবদানের কথা স্মরণ করে সনাতন নেতারা বলেন, এম এ মজিদ জেলা, উপজেলা, শহর, গ্রাম ও ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি সাধ্যমতো তাদের আর্থিক সহায়তা দিয়ে অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করে গেছেন। তাকে মনোনয়ন না দিলে ঝিনাইদহ ও হরিণাকুণ্ডু এলাকার ৫৭ হাজার সনাতনী সম্প্রদায়ের ভোটার ভোটকেন্দ্রে যাওয়া থেকে বিরত থাকবেন।