আব্দুল্লাহীল কাফী মাসুম, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি-রংপুর, ১০ নভেম্বর ২০২৫ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): রংপুরের পীরগঞ্জ নির্বাচনী এলাকা হিসেবে অতি গুরুত্বপূর্ণ আসন। ইতিপূর্বে বিভিন্ন কারণে বিশেষ করে সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এ আসনে লড়েছেন অনেকবার। ২৪-রংপুর, ৬-পীরগঞ্জ আসনটি বরাবরই আলোচিত হয়েছে বিভিন্ন কারণে। তন্মধ্যে এ আসনে স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত দেশের নামকরা হেভিওয়েট প্রার্থীগণ এ আসনে নির্বাচন করেন। সাবেক মন্ত্রী মতিউর রহমান ১৯৭৩ সালে আওয়ামীলীগের টিকেটে এ আসন থেকে নির্বাচনে জয়লাভ করেন,এবং গৃহায়ণ ও পূর্তমন্ত্রী হন। ১৯৭৫ পরবর্তী দেশের পট পরিবর্তনের পর ১৯৭৯ সালে বিএনপি প্রার্থী মতিয়ার রহমান চৌধুরী এ আসন থেকে জয়লাভ করেন।

 

১৯৮১ সাল পরবর্তী সময়ে জাতীয় পার্টির দখলে চলে যায় আসনটি। নয় বছর আব্দুল জলিল প্রধান এ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। ১৯৯০ সালে এরশাদ সরকারের পতন হলে ১৯৯১ সালে তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনে এইচ এম এরশাদ বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। পরবর্তীতে এইচ এম এরশাদ,শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, নূর মোহাম্মদ মন্ডল, শেখ হাসিনা, আবুল কালাম আজাদ এবং সর্বশেষ ড. শিরিন শারমীন চৌধুরী।

 

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আগামি বছর  নির্বাচনের তারিখ ঘোষনা অনেক আগে থেকেই আওয়ামীলীগ বিহীন পীরগঞ্জে রাজনীতির মাঠ কাঁপিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন প্রভাবশালী দু’টি দলের দু’জন সংসদপদপ্রার্থী।

 

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী জনাব সাইফুল ইসলাম আহবায়ক, রংপুর জেলা বিএনপি। এবং

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাওলানা নুরুল আমীন, জেনারেল সেক্রেটারী বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীন, কেন্দ্রিয় কমিটি।

 

নির্বাচনী তফশীল ঘোষনা না হতেই এই দু’জন প্রার্থী দিন-রাত একাকার করে ছুটে যাচ্ছেন ভোটারের বাড়ি বাড়ি। উঠোন বৈঠক, পথসভা,কর্মী সভা,নির্বাচনী সভার বিভিন্ন পোস্টার, ব্যানারে সরগরম করে তুলেছেন ভোটের মাঠ।ইতিমধ্যেই নির্বাচনী আমেজ তৈরী হয়ে গেছে পীরগঞ্জের সর্বত্রই। সবার মুখে মুখেই ধানের শীষ না দাঁড়িপাল্লা?

 

এদিকে জাতীয় পার্টি,এনসিপি সহ অন্যান্য দলগুলি এখনও পর্যন্ত কোন আলোচনায় আসতে পারেনি।