কবির আকন্দ-শ্রীপুর উপজেলা প্রতিনিধি (গাজীপুর), ২৮ অক্টোবর ২০২৫ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): ২৮ অক্টোবর ২০২৫ মঙ্গলবার সন্ধ্যাবেলায় শ্রীপুর পৌরসভার নিজস্ব বাড়িতে মব সৃষ্টি করে ঘেরাও করে কতিপয় দুষ্কৃতকারী শ্রীপুর মডেল থানায় ফোন করে পুলিশ এনে আটক করায় স্থানীয় সুশীল সমাজের ব্যক্তি খন্দকার মুহাম্মদ মহসিনকে।তারপর পুলিশ মধ্যরাতে বৈষম্য বিরোধী মামলা দিয়ে আদালতে প্রেরণ করে এবং আদালত জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায়।
এতে করে তাৎক্ষণিকভাবে এলাকায় প্রচন্ড নিন্দার ঝড় উঠে। গ্রেফতারের সঙ্গে সঙ্গে শ্রীপুর সরকারি পাইলট উচ্চ জনাব আব্দুল মোতালিব স্যার নিম্নোক্ত পোস্ট করেন – “খন্দকার মোহাম্মদ মহসিন আমার হাতে গড়া শ্রীপুর সরকারি পাইলট স্কুলের প্রাক্তন মেধাবী ছাত্র। ছাত্র জীবন থেকে সে শোষিত, নিপীড়িত, শিশু শ্রম বন্ধ ও খেটে খাওয়া কৃষক – শ্রমিকের পক্ষে কথা বলেছে! কথা বলেছে ঘুষ দূর্নীতির বিরুদ্ধে। যা আমি নিজে অনুধাবন করেছি।
শিশু-কিশোরদের মানষিক বিকাশ, শরীরচর্চা,মানবিক মানুষ হওয়ার ও দেশের সুনাগরিক হওয়ার জন্য আমার সাথে সে একনিষ্ঠ ভাবে কাজ করেছে।
আমার গড়া শিশু কিশোর সংগঠন কিশোর ফৌজের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছে। সে এক জন আর্দশ শিশু কিশোর সংগঠক।
পরবর্তীতে গরীব মেহনতী মানুষের জন্য পোল্ট্রি ব্যবসায় আত্মা নিয়োগ করে এবং একজন দক্ষ্য পোল্ট্রি ব্যবসায়ী হয়ে জাতীয় ভাবে এই শিল্পের অভাব অভিযোগ সরকারের কাছে তুলে ধরতে সফল ও সক্ষম হয়েছে। সে বাংলাদেশের পোল্ট্রি এসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদকে দায়িত্ব ভূয়সী প্রশংসা সহিত পালন করেছে। এটাই তার জীবনে মিথ্যা অপপ্রচার ও কিছু স্বার্থানেসী কু চক্রান্তকারী মিথ্যা বাসনা পূর্ণ করতে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করেছে।
জানামতে সে সব সময়েই স্বৈরাচারের বিরোধীতা করছে। কখনো আওয়ামী রাজনীতির সাথে তাকে সম্পৃক্ত ছিলেন না।
পোল্ট্রি শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য (একজন শিশু সংঘটক ও গরীব বান্ধব কর্মীকে) সঠিক তদন্ত সাপেক্ষ তার দ্রুত মুক্তি কামনা করছি। শ্রীপুরবাসি তার মুক্তির প্রতিক্ষায় প্রহর গুনছে।”
তাছাড়া সাংবাদিক এম এম ফারুক, রাতুল মন্ডল, আরিফ মন্ডল, ইকবাল হোসেন, মুনসুরুল ইসলামসহ অনেকেই প্রতিবাদী লিখনীর মাধ্যমে নিন্দার ঝড় তুলেন।
এছাড়াও এলাকার বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক সংগঠন,সাংবাদিক, শিক্ষার্থী-শিক্ষকগণও ফেসবুকে প্রতিবাদের ঝড় তুলে। এখন সর্ব মহলের দাবী অনতিবিলম্বে যেন খন্দকার মুহাম্মাদ মহসিনকে মুক্তি দেওয়া হয়।