এইচ এম আবু বকর সিদ্দিক-বাউফল উপজেলা প্রতিনিধি (পটুয়াখালী), ১৪ আগষ্ট ২০২৫ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): পটুয়াখালী জেলা বাউফল উপজেলার ১০নং কালাইয়া ইউনিয়ন ৯ নং ওয়ার্ড শৌলা গ্রামে কাওসার নামে এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন যাবত ঢাকা ভাঙ্গারি দোকানে ব্যবসা করে নাজমা নামের এক মহিলাকে বিবাহের কথা বলে প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রায় ছয় বছর যাবত তার সাথে স্বামী স্ত্রী পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন বাসায় ভাড়া থাকেন ও শারীরিক মেলামেশা করেন।
নাজমা তার বাবার বাড়ির সম্পত্তি বিক্রি করে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা ব্যবসার কথা বলে কাওসার ধার নিয়ে তার বিনিময় সেই নাজমা বেগমকে ২৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার একটি চেক প্রদান করেন। হঠাৎ করে কাওসার পটুয়াখালী বাউফল তার দেশের বাড়ি বেড়াতে আসেন। তারপর থেকে ওই মহিলা নাজমা বেগম তার সাথে আর যোগাযোগ রাখেন না। তখন নাজমা বেগম জানতে পারেন কাওসার দেশে বিয়া করিতেছে। তাৎক্ষণিক নাজমা বেগম স্ত্রীর অধিকার নিয়ে সেই কাওসারের বাড়ি চলে আসেন তখন কাওসার ওই নাজমা বেগমকে বিবাহ করিতে অস্বীকার করেন। যে আমি নাজমা বেগমকে চিনি না। ওই অসহায় মহিলা নিরুপায় হয়ে ঢাকা চলিয়া যান।
কিছুদিন পরে তিনি পটুয়াখালী নারীশিশু ট্রাইব্যুনালে একটি ধর্ষণ মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বাউফল থানাকে মামলাটি রুজু করার জন্য আদেশ দেন। মামলাটি বাউফল থানায় রুজু হবার পর সেটি তদন্তর জন্য এসআই মাসুদ খলিফাকে নিয়েগ করেন।
তিনি বাউফল থানার ফোর্স নিয়ে ঘটনা খোঁজখবর নেন। জানা যায়, আসামীরা ঘরে তালা মেরে পলাতক অবস্থায় আছে। ওই অসহায় মহিলা ১২/৮/২০২৫ ইংরেজি মঙ্গলবার ঢাকা সি এম এম কোর্টে ২৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার চেক দিয়ে একটি প্রতারণা মামলা করেন।
এইসব মামলার খবর শুনে আসামি কাওসারের বড় ভাই নাসিমা বেগমকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। মামলা তুলে নিতে হবে না হয় তোকে বাঁচতে দেব না বলে হুমকি দেয়। এ ব্যাপারে নাসিমা বেগম আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।