রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন

সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব সুদৃঢ় করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৯ সময় দেখুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব এবং আত্মমর্যাদা রক্ষা করাই হবে ভবিষ্যতের বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য। রোববার সাভারে আয়োজিত জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে আগ্রহী।

পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড কেবল একটি পতাকা নয়, বরং এটি সংশ্লিষ্ট ইউনিটের ইতিহাস, ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব ও আত্মত্যাগের প্রতীক। তিনি বলেন, এই পতাকা অর্জনের অর্থ হলো অর্পিত দায়িত্ব পালনে নতুন করে শপথ নেয়া এবং পতাকার মান সমুন্নত রাখা প্রতিটি সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব। আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক এই পতাকা স্বাধীনতা সংগ্রামের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

সশস্ত্র বাহিনীর ইতিহাস প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর জন্ম হয়েছে। বিভিন্ন সময় বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হলেও আমাদের ইতিহাসের কথা ভুলে যাওয়া চলবে না। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরোচিত হামলার মুখে চট্টগ্রামের অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের তৎকালীন উপঅধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমান ‘উই রিভোল্ট’ উচ্চারণ করেছিলেন, যা সেই সংগ্রামেরই অংশ।

আধুনিক সশস্ত্র বাহিনীর শক্তির মূল উৎস সম্পর্কে তিনি বলেন, কেবল অস্ত্র বা জনবল নয়, বরং শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা ও প্রশিক্ষণই একটি বাহিনীর আসল শক্তি। এতে চেইন অব কমান্ডের গুরুত্ব অপরিসীম। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী, বাহিনীর সব পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সৈনিকরা সংবিধান, আইন এবং মানবিক মূল্যবোধের প্রতি অবিচল থাকবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রতিরক্ষা শিল্পের আধুনিকায়ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নের পাশাপাশি দেশেই প্রয়োজনীয় অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের জন্য দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলার ওপর জোর দিচ্ছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রযুক্তি কখনো মানুষের বিকল্প হতে পারে না। সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীকে সমন্বিতভাবে কাজ করার সক্ষমতা অর্জনের তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, আমাদের এমন একটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে যেখানে প্রযুক্তিগত উন্নতির সাথে সাথে তিন বাহিনীই যেকোনো প্রয়োজনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে পারবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর