সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন

আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য : রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেনে আদালত

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৯৪ সময় দেখুন

ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেনে আদালত। এদিকে রিমান্ডে মাকছুদা ইসলাম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে সেই ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ কী, সেটি তদন্তের স্বার্থে পুলিশ জানাতে চায়নি। আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের তেজগাঁও জোনাল টিমের পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন মাকছুদাকে আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

পুলিশের আবেদনে বলা হয়, মাকছুদাকে বিস্তারিত ও নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদে মামলাসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যা তদন্তে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়মের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ওই রাতেই মরিয়মের বাবা মাসুম বিল্লাহ (৪০) বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন।

মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়।

পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে মাকছুদা জানান—মামলার অপর আসামি ওবায়দুর রহমানের প্ররোচনায় গত ১৭ জুন গাজী নজরুল ইসলাম ও মরিয়মের বিয়ে হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ভুক্তভোগী মরিয়ম ২১ সেপ্টেম্বর বেলা ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টার মধ্যে দরজা বন্ধ করে আত্মহত্যা করেন।

এর আগে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) গাজী নজরুল ইসলামকে চার দিনের এবং মাকছুদা ইসলামকে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেন আদালত। মামলার অপর আসামি ওবায়দুর রহমান এখনো পলাতক রয়েছেন।

গাজী নজরুল ইসলাম জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। গত জুলাইয়ে তার ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে তিনি জানান, ভিডিওতে থাকা তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুন।

এরপর গত ২২ জুলাই জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্পিকার, নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে চিঠি দেয় দলটি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর