মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন

খ্যাতিমান রাজনীতিবিদ কে এম ওবায়দুর রহমানের ১৯ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৭ সময় দেখুন

মোঃ শাহাদাৎ হোসেন-নগরকান্দা উপজেলা প্রতিনিধি (ফরিদপুর), ২১ মার্চ ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): মার্চ ২১, ২০২৫ — মহান স্বাধীনতাযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, গণতন্ত্রের সিংহ পুরুষ, বিএনপি’র সাবেক মহাসচিব‌ এবং দেশবরেণ্য বিএনপি’র সাবেক মহাসচিব এবং দেশের খ্যাতিমান রাজনীতিবিদ কে এম ওবায়দুর রহমানের ১৯ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়।

মহান স্বাধীনতাযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, গণতন্ত্রের সিংহ পুরুষ, বিএনপি’র সাবেক মহাসচিব‌ এবং দেশবরেণ্য রাজনীতিবিদ কে এম ওবায়দুর রহমানের ১৯ তম মৃত্যুবার্ষিকীর এই দিনে আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা।

কে এম-ওবায়দুর রহমানের জন্ম ১৯৪০ সালের ৫ মে ব্রিটিশ ভারতের পূর্ব বাংলার ফরিদপুরের নগরকান্দার লস্করদিয়া গ্রামে। কে এম-ওবায়দুর রহমান ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ভিপি নির্বাচিত হন তিনি।

অসহযোগ আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধে তিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন। ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি প্রথমে মৎস্য ও পশুপালন এবং পরে বিমান ও পর্যটন মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬-১৯৮৮ সালে তিনি বিএনপি’র মহাসচিব ছিলেন।

১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি থেকে ফরিদপুর-২ আসনে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আমৃত্যু বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন। তিনি ১৯৬৪ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে দশ বছরের অধিককাল কারান্তরীণ ছিলেন।

কে এম ওবায়দুর রহমান ২১ মার্চ ২০০৭ সালে ঢাকার চিকিৎসাধীন অবস্থায় অ্যাপোলো হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। তাকে ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলা লস্করদিয়া গ্রামে সমাহিত করা হয়।

মরহুম কে এম ওবায়দুর রহমান একজন গণসম্পৃক্ত জাতীয় নেতা হিসেবে সবার নিকট সমাদৃত ছিলেন। যোগ্য নেতৃত্ব দিয়ে তিনি দলকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে পরবর্তীতে জাতীয় রাজনৈতিক জীবনে স্বাধিকার, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র তথা সকল আন্দোলন সংগ্রামে সোচ্চার থেকে তিনি আজীবন দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের পক্ষে নিজেকে নিবেদিত রেখেছিলেন।

মরহুম কে এম ওবায়দুর রহমান মনেপ্রাণে গণতন্ত্রী ছিলেন এবং গণতন্ত্রে বহুমত সহিষ্ণুতার ঐতিহ্যকে মান্য করতেন। তিনি ছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের একনিষ্ঠ অনুসারী। স্বাধীনতা যুদ্ধে অন্যতম সংগঠকের ভূমিকা পালন করে তিনি আমাদের জাতীয় ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছেন। তাঁর অনুসৃত পথ বর্তমান প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।

স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী দর্শণ ও আদর্শকে বুকে লালন করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে স্বৈরাচারের কবল থেকে গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের প্রত্যেকটি আন্দোলন সংগ্রামে কে এম ওবায়দুর রহমানের এর অবদান দল ও দেশবাসী চিরদিন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।

উক্ত সভায় সভাপতি স্বাগত বক্তব্যের দোয়া ও মধ্য দিয়ে মৃত্যুবার্ষিকী সমাপ্ত ঘোষণা করেন ।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর