শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন

পীরগঞ্জের আলু চাষীদের দূরাবস্থা : দাম না পেয়ে কৃষকের মাথায় বজ্রপাত

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ৫২ সময় দেখুন

আব্দুল্লাহীল কাফী মাসুম, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি-রংপুর, ০৬ মার্চ ২০২৬ইং (ঢাকা টিভি রিপোর্ট): রংপুরের পীরগঞ্জের প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নে আলু চাষের উপযোগী তিন ফসলী জমি আছে। আমন ধান কাটার পর পরই অগ্রাহয়ণ মাসে আলু চাষের উপযুক্ত সময়। বিভিন্ন জাতের আলু চাষ হয় এ সব জমিতে। বেলে-দোয়াশঁ মাটিতে আলুর ফলন অনেক বেশী হয়।এলাকাভেদে স্টীক আলু, গ্র্যানুলা আলু, পাকড়ি আলু, বার্মা আলু, জাম আলু ও শীল বিলাতী বা কইচ্যা আলু চাষে অধিক ফলন, অধিক লাভ হয়।

প্রতি বছরের ন্যায় এবারেও আলুচাষে কৃষক নতুন স্বপ্নে বিভোর হয়ে ব্যাপকভাবে ওইসব জমিতে আলু চাষ করেন। এবছর বীজআলু সংগ্রহে কোন অধিক মূল্য দিতে হয়নি,আর সহজলভ্য ছিল বীজ আলু প্রাপ্তিতে। গত বছর আলুতে বিপুল পরিমাণে লোকসান হলেও হাল ছাড়েননি কৃষক। আলু চাষে খরচ প্রচুর। শুধু বীজ ছিল ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে, সার, কীটনাশক শ্রমিক, সেচ কোনটাই সহজলভ্য ছিল না। এবারও বাম্পার ফলন হয়েছে আলুতে। এখন আলু তোলার পূর্ণ মৌসুম চলছে। মাঠের যেদিকে চোখ যায় শুধু আলু তোলার দৃশ্য চোখে পড়ে।

এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, আবাদ অনেক ভাল ও বাম্পার ফলন হলেও বাজার মূল্য নেই জন্য কৃষক হতাশ ! রামনাথপুরের কৃষক সিরাজুল ইসলাম জানালেন, এ বছর পাঁচ একর জমিতে আলু চাষ করেছি। দুই একর আলু তোলা হয়েছে, পাঁচশত বস্তা আলু পেয়েছি কিন্তু দাম নেই। পাইকারী দাম ছয় টাকা থেকে আট টাকা। বাধ্য হয়ে স্টোরেজ করেছি। সেখানেও প্রতি বস্তা রাখার জন্য খরচ হয় চারশত টাকা যা ইতিপূর্বে দুইশত টাকা ছিল প্রতি বস্তা। হিমাগারগুলিতে সিন্ডিকেট,

কেউ ছাড় দেয় না,অথচ সেদিকে সরকারের দৃষ্টি নেই।” এভাবে চলতে থাকলে কৃষকদের পথে বসতে হবে, কৃষি উপকরণের মূল্য নিয়ন্ত্রণ করা না হলে এ সব আলু চাষ থেকে কৃষক মুখ ফিরিয়ে নেবে জানালেন আর এক ভূক্তভোগী কৃষক সাইফুল ইসলাম।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর