সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন

কক্সবাজারে সিনহা হত্যায় প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য শুনছে তদন্ত কমিটি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২০
  • ৯ সময় দেখুন

কক্সবাজারের টেকনাফে মেরিন ড্রাইভ সড়কে পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান নিহত হওয়ার ঘটনায় গণশুনানি শুরু করেছে তদন্ত কমিটি। আজ রবিবার বেলা ১১টার দিকে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জের কার্যালয়ে এই গণশুনানি শুরু হয়।

সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ নিহত হওয়ার ঘটনায় গঠিত সরকারি তদন্ত কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট মোহা. শাজাহান আলীসহ তদন্ত কমিটির অন্য সদস্যরা এতে উপস্থিত আছেন।

জানা গেছে, শুনানিতে ১১ জন সাক্ষ্য দিতে এসেছেন। এ ছাড়া সাক্ষ্য দেয়ার জন্য মাদ্রাসার একটি শিশুকেও আনা হয়েছে। শুনানি উপলক্ষে ঘটনাস্থলে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা উৎসুক জনতা ভিড় করেছে সেখানে।

কমিটির অন্য তিন সদস্য হলেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিনিধি লে. কর্নেল এসএম সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ বাহিনীর প্রতিনিধি চট্টগ্রাম রেঞ্জের পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি জাকির হোসেন খান ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শাজাহান আলী।

জানা গেছে, শুনানিতে ১১ জন সাক্ষ্য দিতে এসেছেন। এ ছাড়া সাক্ষ্য দেয়ার জন্য মাদ্রাসার একটি শিশুকেও আনা হয়েছে। শুনানি উপলক্ষে ঘটনাস্থলে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা উৎসুক জনতা ভিড় করেছে সেখানে।

গত বুধবার সন্ধ্যায় তদন্ত কমিটির সদস্য মোহাম্মদ শাজাহান আলীর স্বাক্ষরে এক গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সেখানে বলা হয়, ১৬ আগস্ট রবিবার সকাল ১০টায় ওই গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

গত ৩১ জুলাই রাত সাড়ে নয়টায় কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর পুলিশের তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান। এ ঘটনায় মেজর সিনহার বড়বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌসের করা মামলার প্রধান আসামি করা হয় বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলী এবং দুই নম্বর আসামি করা হয় টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে। এ দুজন ছাড়াও মামলায় আরও সাত পুলিশ সদস্যকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়। পরে ওই মামলায় তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাব আরও তিনজনকে আসামি করে প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে।

আলোচিত এই মামলায় এ পর্যন্ত ১০ জন আসামির প্রত্যেককে সাত দিন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছে আদালত।

এ ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ গত ২ আগস্ট চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মোহাম্মদ মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। ওই কমিটি সরেজমিনে তদন্ত করে ঘটনার কারণ ও উৎস অনুসন্ধান করবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে মতামত দেবে।

প্রথমে সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার কথা থাকলেও ১০ আগস্ট অতিরিক্ত আরও সাত কর্মদিবস সময় বৃদ্ধি করে মন্ত্রণালয়। কমিটি তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে গত ৪ আগস্ট থেকে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর